পুলিশ মেমোরিয়াল ডে
কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বাংলাদেশ পুলিশের অকুতোভয় সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতি বছর মার্চের শুরুতে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালন করা হয়। উক্ত দিবসে মহান আত্মত্যাগের জন্য তাদের পরিবারবর্গকে স্বীকৃতি স্মারক প্রদান করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ পুলিশ ২০১৭ সালের ১ মার্চ থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালন করে আসছে।
১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সন্ত্রাস দমন, অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে পুলিশ মেমোরিয়ালের 'Hall of Remembrance' -এ তাদের নাম ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জেলা/ইউনিটে একই দিনে রেপলিকা স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করা হয়।
পুলিশ মেমোরিয়াল স্মৃতিসৌধ
বাংলাদেশ পুলিশ ২০১০ সালে স্থায়ী দৃষ্টি নন্দন স্মৃতিসৌধ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় নকশা প্রণয়ন ও সাইট নির্ধারণ করে ২০১৯ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দে রাজধানীর মিরপুর-১৪, পুলিশ স্টাফ কলেজ কম্পাউন্ডে তৈরি এই মেমোরিয়ালের উদ্বোধন করেন তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার)। এর প্রাথমিক নকশাকার স্থপতি মো. কামরুল হাসান তন্ময়। বিস্তারিত নকশাকার স্থাপত্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক স্থপতি নওয়াজীশ মাহবুব। ইন্টেরিয়র নকশাকার স্থপতি ফারিবা সামিয়া মি।
অনন্য এ স্থাপত্য নকশায় নির্মিত পুলিশ মেমোরিয়ালের বেদির মোট আয়তন ২৮ হাজার ৩০০ বর্গ ফুট। বেদীর মাঝে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরের সম্মুখযোদ্ধা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর ‘১৯৭১’ এর অনুসরণে টাওয়ারটির উচ্চতা ৭১ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে। রাতের বেলায় টাওয়ার থেকে বিকিরিত আলো বীর শহীদদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
পুলিশ মেমোরিয়াল ডাটাবেস (পি.এম.ডি)
জীবন উৎসর্গকারী বীর পুলিশ সদস্যগণ